ছুটিতে বাড়িতে এসে গ্রামের বাজারে ডিম বিক্রি করছেন চবি ছাত্রী

গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, রাগী মেয়েরা কেবল স্বামীকে গভীরভাবে ভালোবাসেন না, বরং তারা অত্যন্ত বুদ্ধিমতীও হয়ে থাকেন। বিভিন্ন ইসলামী রাষ্ট্রের নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণায় এই বিষয়টি বারবার উঠে এসেছে। উদাহরণস্বরূপ, ইরানের তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় ৩০০ জন বিবাহিত নারীর আচরণ এবং তাদের দাম্পত্য জীবনের মান বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, রাগী নারীরা সমস্যার সমাধানে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং তাদের বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে পারিবারিক জীবনকে স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হন। গবেষক ড. মোহাম্মদ হাসান আলী উল্লেখ করেন, “রাগী নারীদের রাগ আসলে তাদের আবেগপ্রবণ ভালোবাসার একটি অংশ, যা তাদের পরিবারের প্রতি গভীর যত্ন এবং দায়িত্ববোধকে নির্দেশ করে।”

একইভাবে, তুরস্কের ইস্তানবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আয়েশা কারিম নেতৃত্বাধীন আরেকটি গবেষণায় দেখা যায়, যে নারীরা বেশি আবেগপ্রবণ এবং রাগী, তারা সম্পর্কের ক্ষেত্রে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। “রাগী নারীরা সাধারণত তাদের স্বামী এবং পরিবারের প্রতি সংবেদনশীল থাকেন এবং সম্পর্কের প্রতিটি সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করার চেষ্টা করেন,” ড. আয়েশা মন্তব্য করেন।

সৌদি আরবের কিং সৌদ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আহমেদ ইবনে খালিদ বলেন, “রাগী নারীরা জীবনের চ্যালেঞ্জগুলিকে সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করেন এবং তাদের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে পরিবারের স্থিতিশীলতা রক্ষা করেন।” এসব গবেষণা “Middle East Journal of Family Studies” এবং “Journal of Islamic Psychology”-এ প্রকাশিত হয়েছে।

ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, নারীদের আবেগ ও রাগকে সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করা উচিত, কারণ এটি ভালোবাসারই একটি প্রকাশ। রাগী নারীদের বুদ্ধিমত্তা এবং তাদের সম্পর্ক ধরে রাখার প্রচেষ্টাকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হলে দাম্পত্য জীবন আরও মজবুত হবে।

Scroll to Top