গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, “গোপনে সরকারের সাথে সম্পর্ক রেখে বা সরকারের উপদেষ্টারা অন্য একটি দলকে সহযোগিতা করছে গঠনের জন্য, এ ধরনের প্রক্রিয়া অনৈতিক ও অশোভন।” তিনি আরও বলেন, “ধানমন্ডি ৩২ নাম্বার এবং সারাদেশে আওয়ামী লীগের বাড়িঘরে যে তাণ্ডব শুরু হয়েছিল, আমরা বলেছিলাম যে এগুলো বন্ধ করতে হবে। অভ্যুত্থানের ৬ মাস পরে যদি বাংলাদেশ এমন চলতে থাকে, তাহলে সরকার স্থিতিশীল হতে পারবে না।”
রাশেদ খান সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “এই আগুন কিন্তু যমুনায় গিয়েও লাগতে পারে, এবং যে কোনো একটা ইস্যুতে তখন মানুষ যমুনা ঘেরাও করতে পারে।” তিনি বলেন, “পরবর্তীতে সেটিই হয়েছে এবং আমরা লক্ষ্য করলাম যে যে মব শুরু হয়েছিল, সেই মব যমুনা পর্যন্ত চলে গেলে ডিএমপির পক্ষ থেকে শাহবাগ থেকে যমুনার আশপাশে সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়।”
রাশেদ খান আরো বলেন, “এ পরিস্থিতিতে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে, এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সরকার এবং প্রশাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।”