মা-বাবাকে অজ্ঞান করে স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে পাশবিক ধর্ষণ

পটুয়াখালীর বাউফলে মা-বাবাকে অজ্ঞান করে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১১টার দিকে উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর শারীরিক পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর অসুস্থ মা-বাবাকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন সম্প্রতি ব্যবসায়ী শিবানন্দ রায় বণিক অপহরণ ও তাঁর প্রতিষ্ঠানে ডাকাতি মামলার আসামি বেল্লাল হোসেন (২৫) ও ফয়সাল আহমেদ (২২)। এর আগে ডাকাতি-অপহরণ মামলায় গত সপ্তাহে জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকায় এসেছেন বেল্লাল হোসেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, গতকাল রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ঘরের পেছনের দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে তাঁদের চোখ-মুখে কিছু একটা ছিটিয়া দেওয়া হয়। এতে তাঁরা অজ্ঞান হয়ে গেলে তাঁদের মেয়েকে উঠিয়ে পাশের একটি বিলে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন করা হয়। কাউকে কিছু না বলতে হুমকি দিয়ে চলে যায় অভিযুক্তরা। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে এলে বাড়ির অন্যরা সজাগ হন। তখন ভুক্তভোগী অভিযুক্ত বেল্লাল ও ফয়সালের কথা বাড়ির লোকজনকে জানান। সারা রাত অজ্ঞান থাকার পর সকালে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তার মা-বাবাকে অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (বাউফল সার্কেল) আরিফ মুহাম্মদ শাকুর বলেন, ‘নির্যাতনের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভিকটিমের পুরো পরিবার অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে। ভিকটিমের শারীরিক পরীক্ষা চলছে। পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব। ঘটনার সন্দেহজনক দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’

Scroll to Top